পারো তো ধর্ষণ করো
আর ধর্ষিতা হয়ো না, আর না
আর যেন কোনও দুঃসংবাদ কোথাও না শুনি যে তোমাকে ধর্ষণ করেছে
কোনও এক হারামজাদা বা কোনও হারামজাদার দল।
আমি আর দেখতে চাই না একটি ধর্ষিতারও কাতর করুণ মুখ,
আর দেখতে চাই না পুরুষের পত্রিকায় পুরুষ সাংবাদিকের লেখা সংবাদ
পড়তে পড়তে কোনও পুরুষ পাঠকের আরও একবার মনে মনে ধর্ষণ করা ধর্ষিতাকে।
ধর্ষিতা হয়ো না, বরং ধর্ষণ করতে আসা পুরুষের পুরুষাঙ্গ কেটে ধরিয়ে দাও হাতে,
অথবা ঝুলিয়ে দাও গলায়,
খোকারা এখন চুষতে থাক যার যার দিগ্বিজয়ী অঙ্গ, চুষতে থাক নিরূপায় ঝুলে থাকা
অণ্ডকোষ, গিলতে থাক এসবের রস, কষ।
ধর্ষিতা হয়ো না, পারো তো পুরুষকে পদানত করো, পরাভূত করো,
পতিত করো, পয়মাল করো
পারো তো ধর্ষণ করো,
পারো তো ওদের পুরুষত্ব নষ্ট করো।
লোকে বলবে, ছি ছি, বলুক।
লোকে বলবে এমন কী নির্যাতিতা নারীরাও যে তুমি তো মন্দ পুরুষের মতই,
বলুক, বলুক যে এ তো কোনও সমাধান নয়, বলুক যে তুমি তো তবে ভালো নও
বলুক, কিছুতে কান দিও না, তোমার ভালো হওয়ার দরকার নেই,
শত সহস্র বছর তুমি ভালো ছিলে মেয়ে, এবার একটু মন্দ হও।
চলো সবাই মিলে আমরা মন্দ হই,
মন্দ হওয়ার মত ভালো আর কী আছে কোথায়!







আমি তার দ্বিচারিতার ব্যাপারে প্রমাণসহ নিজের মতের পক্ষে সাফাই দিলাম একজন নারীবাদি হিসেবে উনাকে আমার নারীবাদের আড়ালে এক ভয়ানক সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি মনে হয়। উনিকে আসলে খুবই হিংসাপ্রবণ নারী মনে হয়েছে। ফেসবুকের উনার লেখা পড়ে আমার অনেকটা লেজ কাটা শিয়ালের কথা মনে পড়ে। যেই শিয়ালের নিজের লেজ কেটে যাবার ফলে সে অন্যদের লেজ কেটে ফেলতে বলছিল। নানান কুযুক্তি দিচ্ছল।
ReplyDeleteউনি নারীবাদি লেখা কম ইসলাম বিদ্বেষ লেখাই লেখেন এবং তার জন্য উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্টি RSS, বা হিন্দুত্ত্ববাদী গোষ্টি তার প্রতি কতটা প্রিতিভাজক তা তো সবাই জানি। কিন্তু তসলিমা মুসলিম মৌলবাদ নিয়ে পাচাল পাড়লেও হিন্দু মৌলবাদীদের সাথে ভালো সর্ম্পকে রাখতে আপত্তি নেই। তাদের প্রতি তসলিমা সম্মতিই তার এজেন্ডা বুঝতে সাহায্য করে।
তসলিমা একটি কৌশল হল ইসলাম ও মুসলিম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা।জেনে বুঝে এমন একটা কথা বলা যেন সেটা নিয়ে সমাজে হট্টগোল পড়ে যায়। তাকে নিয়ে আলোচনা হক।এই ব্যাপার তার খুব মজা লাগে। সে ইঞ্জয় করে।